আবদুল মঈন খান, আন্দালিব রহমান পার্থ, সাচিং প্রু জেরী ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় আরও চারজন নতুন সদস্য যুক্ত হতে যাচ্ছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ গ্রহণের পরপরই নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে যাওয়া চারজনের মধ্যে তিনজন মন্ত্রী এবং একজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন। তাঁদের মধ্যে আবদুল মঈন খান, আন্দালিব রহমান পার্থ ও সাচিং প্রু জেরীর মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার বিষয়টি জানা গেছে। আর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের নাম আলোচনায় রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি নতুন তিন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। এরই মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সম্ভাব্য কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তাঁদের শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
যাঁরা পাচ্ছেন মন্ত্রিত্ব
নতুন মন্ত্রীদের তালিকায় থাকা আবদুল মঈন খান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য। গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি এ আসন থেকে নির্বাচিত হন।
আন্দালিব রহমান পার্থ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান। বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে তাঁর দল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়। তিনি ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য।
সাচিং প্রু জেরী বান্দরবান আসনের সংসদ সদস্য। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি বান্দরবান আসন থেকে নির্বাচিত হন।
অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় থাকা মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য।
৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভায় নতুন সংযোজন
গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের সময় প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন ৫০ জন। তাঁদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
এর বাইরে প্রধানমন্ত্রীর ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন মন্ত্রী এবং পাঁচজন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন।
নতুন চারজন যুক্ত হলে সরকারের মন্ত্রিসভায় আরও বিস্তৃত হবে প্রতিনিধিত্ব। শুক্রবার সন্ধ্যার শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে তাই রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন আগ্রহ ও আলোচনা।
