রাজধানীর বিভিন্ন ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, ড্রাগ লাইসেন্স সংক্রান্ত অনিয়ম, অননুমোদিত ওষুধ সংরক্ষণ এবং মূল্য তালিকা না মানাসহ বিভিন্ন অভিযোগে সম্প্রতি ভ্রাম্যমাণ আদালতের ধারাবাহিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানের সময় একাধিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসে। এদিকে আদালতের উপস্থিতির খবর পেয়ে কয়েকটি ফার্মেসির মালিক ও কর্মচারীরা দোকান খোলা রেখেই দ্রুত সরে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
এমনই একটি ঘটনার অভিযোগ উঠেছে রাজধানীর মিরপুর-৬ নম্বর সেকশনের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন ‘স্বপ্ন ডানা মেডি পয়েন্ট’ নামে একটি ওষুধের দোকানকে ঘিরে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, কয়েকদিন আগে ভ্রাম্যমাণ আদালত মিরপুর-৬ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করতে গেলে বিষয়টি টের পেয়ে স্বপ্ন ডানা মেডি পয়েন্টের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা দ্রুত দোকান বন্ধ করে এলাকা ত্যাগ করেন। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে জটিলতা সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, অভিযান এড়িয়ে পালিয়ে যাওয়া সংশ্লিষ্ট মালিকদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে জনস্বার্থে ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, লাইসেন্সবিহীন কার্যক্রম এবং অন্যান্য অনিয়মের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তারা।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি কিংবা অনুমোদনবিহীন ওষুধ সংরক্ষণ মানুষের জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ওষুধ ব্যবসায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি, আইন প্রয়োগ এবং জবাবদিহি আরও জোরদার করা জরুরি বলে তারা মনে করেন।
এসব অনিয়মের অভিযোগের বিষয় বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে ফার্মেসি মালিকগণ কাল,পরশু আসেন সাক্ষাতে কথা বলার কথা বলে সময় হরণ করায় তাদের বক্তব্য প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।এ নিয়ে বিস্তারিত থাকছে পরবর্তী প্রতিবেদনে। চলবে……..
