বৃহস্পতিবার, ৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নোমান গ্রুপের ‘নাইস স্পান’ নিয়ে হাইকোর্টের কড়া বার্তা, ব্যাংক দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিং অভিযোগে তদন্তে দুদককে ৯০ দিনের আল্টিমেটাম

স্টাফ রিপোর্টার
মে ৭, ২০২৬ ১২:২৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ব্যাংক ঋণ জালিয়াতি ও মানিলন্ডারিংয়ের গুরুতর অভিযোগে নোমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ‘নাইস স্পান’-এর বিরুদ্ধে তদন্তে নড়েচড়ে বসেছে আদালত। অভিযোগ তদন্তে নিষ্ক্রিয়তার ব্যাখ্যা চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বাংলাদেশ ব্যাংককে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে দায়ের করা রিটে অভিযোগ করা হয়, নোমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠান নাইস স্পান গাজীপুরের মাওনা মৌজায় মাত্র প্রায় ৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি বন্ধক রেখে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ১ হাজার ৭৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগও রয়েছে।

রিটকারী লোহাগড়ার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন জানান, এসব অভিযোগের বিষয়ে ২০২৪ সালেই দুদকে লিখিত আবেদন করা হলেও দীর্ঘ সময়েও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি সংস্থাটি।

এ প্রেক্ষিতে আদালত জানতে চেয়েছেন—নোমান গ্রুপের নাইস স্পান কীভাবে মাত্র ৫০ কোটি টাকার সম্পদ বন্ধক রেখে ১ হাজার ৭৫ কোটি টাকার ঋণ পেল, সে বিষয়ে তদন্তে দুদকের নিষ্ক্রিয়তা, কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না— তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

শুনানিতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ বলেন, দুদক আইনের ১৭ ধারায় দুর্নীতির অভিযোগ পেলে কমিশনের তা অনুসন্ধানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু আইন থাকা সত্ত্বেও নোমান গ্রুপের বিরুদ্ধে ওঠা গুরুতর অভিযোগে দুদক কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না, যা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়ার শামিল।

তিনি আদালতে আরও বলেন, নোমান গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে হাজার হাজার কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও রহস্যজনক কারণে সেগুলোর তদন্ত হচ্ছে না।

রিটে বিবাদী করা হয়েছে দুদকের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরসহ মোট সাতজনকে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ। তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মণ্ডল। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম বাঁধন।
নোমান গ্রুপের আদ্যোপান্ত জানতে চোখ আমাদের প্রকাশিত নিউজ পোর্টালে। বিস্তারিত থাকছে পরবর্তী প্রতিবেদনে। চলমান.…….

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।