ধর্ষণের ভিডিও পাঠিয়ে হেনস্তার অভিযোগ; ডেমরায় গ্রেপ্তারের পর আদালতের নির্দেশে জেলহাজতে প্রেরণ। ছবি সংগৃহীত
রাজধানীর ডেমরায় দূর সম্পর্কের শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তার মো. জাহিদ হাসানকে (৪০) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এর আগে বুধবার (১০ জুন) দিবাগত রাতে ডগাইর কারিমিয়া মসজিদের পাশের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডেমরা থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার জাহিদ ওই এলাকার একটি বাসার ভাড়াটিয়া এবং পাবনার ঈশ্বরদী থানার বয়রা সুলতানপুর গ্রামের মৃত আফসার আলীর ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী (২৭) বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ডেমরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে জাহিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে তাকে চিকিৎসা ও পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়।
ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির্জা তাইফুর রহমান জানান, দূর সম্পর্কের শ্যালিকা হওয়ায় জাহিদের সঙ্গে ভুক্তভোগীর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৫ জানুয়ারি রাতে পারিবারিক প্রয়োজনে ওই নারী জাহিদের বাসার সামনে গেলে কৌশলে তাকে অন্য একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় এবং ঘটনার ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখা হয়।
পুলিশ জানায়, সামাজিক ও পারিবারিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে ভুক্তভোগী দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন রাখেন। তবে পরবর্তীতে গত ৮ মে জাহিদ ওই ভিডিও ভুক্তভোগীর হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে বিভিন্নভাবে চাপ ও হেনস্তা করতে থাকে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী থানায় মামলা দায়ের করলে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
