অতিরিক্ত দাম নাকি উৎপাদন খরচের বাস্তবতা? অভিযোগ পেলে তদন্তের আশ্বাস ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তাদের। ফাইল ফটো
মাত্র ২১৫ গ্রাম বড়ই আচারের দাম ২৫০ টাকা নির্ধারণ করায় ‘ঘরের বাজার’ নামের প্রতিষ্ঠানের পণ্যের মূল্য নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। অনেকের দাবি, অল্প পরিমাণের একটি পণ্যের জন্য নির্ধারিত এই মূল্য সাধারণ ক্রেতাদের কাছে তুলনামূলকভাবে বেশি মনে হচ্ছে।
তবে ‘ঘরের বাজার’ কর্তৃপক্ষের দাবি, নির্ধারিত মূল্যে তাদের লাভের পরিমাণ খুবই সীমিত। কাঁচামালের মূল্য, উৎপাদন খরচ, প্যাকেজিংসহ অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় নিয়েই পণ্যটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, কোনো ভোক্তার যদি তাদের পণ্যের মূল্য নিয়ে প্রশ্ন বা অভিযোগ থাকে, তাহলে বিষয়টি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে জানানো যেতে পারে।
এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে কোনো অনিয়ম বা আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ভোক্তাদের দাবি, দেশীয় পণ্যের ক্ষেত্রে মান ও মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা থাকা জরুরি। একটি পণ্যের দাম কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে ক্রেতাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য থাকা প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা।
ভোক্তারা আরও বলছেন, বাজারে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো দরকার। একই সঙ্গে পণ্যের দাম যৌক্তিক কি না, তা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে উৎপাদন ব্যয়, কাঁচামালের বাজারদর, প্যাকেজিং খরচ, বাজার পরিস্থিতি ও ভোক্তার স্বার্থ—সবকিছুই বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
