সেইলি ছবি সংগৃহীত
রাজধানীর মগবাজারের নয়াটোলা চেয়ারম্যান গলির মুখে একটি বিউটি পার্লারকে ঘিরে মাদক ব্যবসা, হানি ট্র্যাপসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন পার্লারটির পরিচালনাকারী হিসেবে পরিচিত সেইলি। স্থানীয় বাসিন্দা ও কয়েকজন ভুক্তভোগীর দাবি, পার্লারের আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনৈতিক ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন।
অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময়ে তিনি একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা ধার নেন। কিন্তু পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে ভুক্তভোগীদের নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকির মুখে পড়তে হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, এ কাজে তিনি একটি মহিলা গ্রুপকে ব্যবহার করেন, যারা পাওনাদারদের ভয় দেখানোসহ বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে।
এ ছাড়া ফ্ল্যাট দেখিয়ে টাকা নেওয়া এবং ফ্ল্যাট বন্ধক রাখার পর অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগও উঠেছে সেইলির বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, টাকা ফেরতের জন্য যোগাযোগ করা হলে উল্টো ওই মহিলা গ্রুপের মাধ্যমে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এতে অনেক নিম্নআয়ের মানুষ সর্বস্বান্ত হয়েছেন বলেও দাবি করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, কথিত এই গ্রুপের প্রভাবের কারণে এলাকার অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পান না। এমনকি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের একটি অংশও তার প্রভাবের কাছে জিম্মি—এমন দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, সেইলির কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলেই তার মহিলা গ্রুপ দিয়ে ভয়ভীতি দেখানো হয়। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি—মগবাজারের এই কথিত গ্রুপের কর্মকাণ্ড তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদক ব্যবসা, প্রতারণা, হুমকি এবং অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত এসব অভিযোগের কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং অপরাধের সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযুক্ত সেইলির বক্তব্য বা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয় জনগণ ও ভুক্তভোগীদের প্রত্যাশা—অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হোক।
