বৃহস্পতিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্র: গা শিউরে ওঠা সদর-অন্দর ভয়ংকর গোপন কারাগার : অনুসন্ধানী প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগস্ট ১৯, ২০২৬ ১১:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্র—নামটি শুনলেই মনে হয়, এখানে মিলবে চিকিৎসা, মানবিকতা ও সুস্থ জীবনে ফেরার সুযোগ। কিন্তু বাস্তবের চিত্র অনেক ক্ষেত্রেই যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন। দেশজুড়ে গড়ে ওঠা পাঁচ শতাধিক মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রের বড় একটি অংশের বিরুদ্ধে রয়েছে ন্যূনতম চিকিৎসাসেবার অভাব, রোগীদের ওপর নির্যাতন, অবৈধভাবে আটকে রাখা, অর্থ আদায় এবং মাদক ব্যবসার মতো গুরুতর অভিযোগ।

কোথাও রোগীকে দিনের পর দিন বন্দি রেখে চলে মারধর। কোথাও আবার মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ। রোগী ভর্তির পর নানা অজুহাতে আদায় করা হয় অতিরিক্ত অর্থ। এমনকি রোগীকে ‘সুস্থ’ করার নামে স্বজনদের কাছ থেকেও মাদক কেনার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সবচেয়ে ভয়ংকর অভিযোগ—সম্পত্তি বা পারিবারিক বিরোধের জেরে নিরপরাধ মানুষকেও মাদকাসক্ত সাজিয়ে এসব কেন্দ্রে আটকে রাখার জন্য রয়েছে বিশেষ দল। পরিচিত এই দল ‘ক্যাচিং পার্টি’ নামে। অর্থের বিনিময়ে কাউকে ধরে এনে নিরাময়কেন্দ্রে বন্দি করে রাখার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।

ফলে চিকিৎসাকেন্দ্রের আড়ালে কিছু প্রতিষ্ঠান পরিণত হয়েছে একেকটি গোপন কারাগারে। আর সেখানে বন্দি মানুষগুলো হয়ে উঠেছেন অর্থ আয়ের ‘মেশিন’। দীর্ঘ অনুসন্ধানে এমনই চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য ও অভিযোগ উঠে এসেছে।

কেস স্টাডি: তালাবদ্ধ দরজার ওপারে কী?

মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রগুলোর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অবস্থিত একটি নিরাময়কেন্দ্রের অভ্যন্তরে সরেজমিন অনুসন্ধান চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানটির নাম বীকন পয়েন্ট। গুলশানের ২৩/এ সড়কের ৪ নম্বর হোল্ডিংয়ে ছয়তলা ভবনটিতে রয়েছে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা।

চিকিৎসা নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলে গেট খুলে একজন নিরাপত্তাকর্মী ভবনের দোতলায় নিয়ে যান। সেখানে কয়েকটি ছোট কক্ষে বসে ছিলেন কথিত কাউন্সেলররা। তাদের একজন মাহমুদুর রহমান নানা প্রশ্নের পর চিকিৎসার খরচের দীর্ঘ হিসাব তুলে ধরেন।

জানানো হয়, অন্তত তিন মাস চিকিৎসা নিতে হবে। দৈনিক খরচ ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা। এর বাইরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধের খরচ আলাদা। স্বজনের সাক্ষাৎ কিংবা ফোনে কথা বলার সুযোগও নেই। মানতে হবে প্রতিষ্ঠানের কঠোর অভ্যন্তরীণ নিয়ম।

এরপর শুরু হয় ভর্তির প্রক্রিয়া। অনুসন্ধানকারীরা নিজেদের বেসরকারি চাকরিজীবী ও গাঁজাসেবী পরিচয়ে প্রায় এক সপ্তাহ প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। শেষ পর্যন্ত ২৫ জুলাই বিকাল ৫টায় তিন সদস্যের অনুসন্ধানী দল সেখানে হাজির হয়।

কুশল বিনিময়ের পরই এগিয়ে দেওয়া হয় ভর্তির ফরম। অগ্রিম ২ লাখ টাকা দিলে তাৎক্ষণিক ভর্তি করে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। অথচ মাদকাসক্ত হিসেবে কাউকে ভর্তি করার আগে ডোপ টেস্ট করার কথা থাকলেও অনুসন্ধানের সময় এমন পরীক্ষা ছাড়াই ভর্তি নেওয়ার প্রস্তুতি দেখা যায়।

২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণ: চিকিৎসা, নাকি বন্দিত্ব?

২৬ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় অনুসন্ধানী দল সেখানে গেলে দেহ তল্লাশি করা হয়। মোবাইল ফোন, কলম, ঘড়িসহ ব্যক্তিগত সামগ্রী জমা নেওয়া হয়। এরপর নিয়ে যাওয়া হয় বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টিত ‘রেড জোনে’।

মূল চিকিৎসাকেন্দ্রটি ভবনের তৃতীয় তলায়। সেখানে ঢোকার পর বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। চারপাশ পর্দা দিয়ে ঘেরা। বাইরে থেকে আলো-বাতাস কিংবা শব্দ ঢোকার সুযোগও সীমিত।

কিছুক্ষণ পর উৎকট গন্ধে পরিবেশটি আরও অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। পরে বড় একটি ডাইনিং রুমে আনা হয় ২০-২৫ জন তরুণকে। তাদের সবাইকে মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু অনুসন্ধানের সময় যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি বিস্মিত করে, তা হলো—কোনো দৃশ্যমান পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই কয়েকটি নাম না জানা ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল খেতে দেওয়া হয়।

নতুন দুই রোগীর আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই কয়েকজন তরুণ কাছে এসে জানতে চান—তারা নিজেরা এসেছেন, নাকি ‘ক্যাচিং’ করে আনা হয়েছে। কী ধরনের মাদক সেবন করেন, ইয়াবা না হেরোইন—এমন প্রশ্নও করা হয়। কারও কারও প্রশ্নে উঠে আসে প্রেমঘটিত বিরোধ কিংবা পারিবারিক সমস্যার প্রসঙ্গ।

রাতের খাবার ও ধোঁয়ায় ভরা ঘর

রাত সাড়ে ৯টার দিকে খাবার পরিবেশন করা হয়। পাতে ছিল এক টুকরো মাছ, ডাল ও ভাত। খাবারের পর শুরু হয় ধূমপানের আয়োজন।

চতুর্থ তলার ছোট একটি কক্ষে অন্তত ২০ জনের জটলা দেখা যায়। প্রায় সবার হাতেই সিগারেট। কিন্তু ধোঁয়া বের হওয়ার পথ সংকীর্ণ হওয়ায় অল্প সময়েই সেখানে শ্বাসকষ্টের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।

শিল্পপতি পিতার বন্দিজীবন

গভীর রাতে অধিকাংশ আলো নিভে গেলে ডাইনিং টেবিলের এক পাশে নীরবে বসে ছিলেন এক বৃদ্ধ। পরিচয় জানতে চাইলে তিনি প্রথমে চুপ থাকেন। পরে দীর্ঘশ্বাস ফেলে জানান তার বন্দিজীবনের কথা।

তিনি নিজেকে মোহাম্মদ শাহজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শিল্পপতি হিসেবে পরিচয় দেন। শতভাগ রপ্তানিমুখী গার্মেন্ট প্রতিষ্ঠান ওয়াই টেক্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান বলেও জানান তিনি।

তার দাবি, জীবনে কখনো সিগারেট পর্যন্ত পান করেননি। অথচ পারিবারিক সম্পত্তির বিরোধের কারণে নিজের সন্তানই তাকে মাদকাসক্ত সাজিয়ে এখানে আটকে রেখেছেন।

তিনি জানান, ২০২৪ সালে স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি একা হয়ে পড়েন। নিঃসঙ্গতা কাটাতে নতুন জীবনসঙ্গীর প্রয়োজনের কথা জানালে ছেলে ক্ষুব্ধ হন। এরপর এক রাতে তাকে বাসা থেকে তুলে এনে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। পরে মাদকাসক্ত পরিচয়ে তাকে এখানে বন্দি করা হয়।

তার দাবি, গুলশানের বাড়ি, গাজীপুরের খামার, মিল-ফ্যাক্টরিসহ বিপুল সম্পদ থাকলেও বর্তমানে সেগুলোর ওপর তার কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই।

শাহজাহানের ভাষ্য, অর্থের বিনিময়ে কাউকে ধরে এনে এখানে আটকে রাখা কঠিন নয়। মামলা কিংবা থানার ঝামেলাও লাগে না। ‘ক্যাচিং পার্টি’ টাকা নিয়ে কাউকে ধরে এনে দেয়। এরপর মুক্তি পাওয়া কঠিন।

বন্দিশালায় ধনাঢ্য তরুণ

তৃতীয় ও চতুর্থ তলার বিভিন্ন কক্ষে ৩-৪ জন করে থাকার ব্যবস্থা দেখা যায়। তাদের মধ্যে কেউ ইয়াবা, কেউ হেরোইন আবার কেউ গাঁজায় আসক্ত বলে জানানো হয়।

এক ২১ বছর বয়সি তরুণ জানান, তার বাবা নারায়ণগঞ্জের একজন ধনী ব্যবসায়ী। হাতখরচ হিসেবেই মাসে লাখ টাকার বেশি পেতেন তিনি। কলেজে পড়ার সময় ইয়াবায় আসক্ত হন। পরে নেশার পাশাপাশি বিষধর সাপের ছোবল নেওয়ার মতো ভয়ংকর কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে পড়েন।

পরিবারের সঙ্গে বিরোধ চরমে উঠলে তাকে ‘ক্যাচিং পার্টি’র মাধ্যমে ধরে আনা হয় বলে জানান তিনি।

তার দাবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় মাদকচক্রের গোপন আস্তানায় গিয়ে সাপের ছোবল নিতেন তিনি। প্রতিবার এ জন্য দিতে হতো প্রায় ১৫ হাজার টাকা।

উচ্চশিক্ষিত তরুণদেরও অন্ধকার পতন

নিরাময়কেন্দ্রে এমন তরুণও ছিলেন, যারা দেশের বাইরের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। একজন অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে কোকেনে আসক্ত হন বলে জানা যায়।

আরেকজন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের ঢাকার কার্যালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বৈত নাগরিক বলে পরিচয় দেন।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর এক শিক্ষার্থীও সেখানে বন্দি ছিলেন। তার দাবি, নিরাময়কেন্দ্রে আসার আগে প্রতিদিন অন্তত ১৫টি ইয়াবা সেবন করতেন। কিন্তু এখানে এসে সুস্থ হওয়ার পরিবর্তে তার মানসিক অবস্থার আরও অবনতি হচ্ছে।

এছাড়া কুমিল্লার বাসিন্দা বিএনপির সাবেক এক এমপির মাদকাসক্ত ছেলেকেও সেখানে রাখা হয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়।

‘ক্যাচিং পার্টি’র নির্ধারিত ফি

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, কাউকে ধরে আনার জন্য ‘ক্যাচিং পার্টি’র রয়েছে নির্দিষ্ট প্যাকেজ। ঢাকার মধ্যে যেকোনো স্থান থেকে কাউকে ধরে আনার জন্য নেওয়া হয় প্রায় ২৫ হাজার টাকা। ঢাকার বাইরে হলে দূরত্ব অনুযায়ী খরচ বাড়ে। চট্টগ্রাম বা সিলেট থেকে কাউকে ধরে আনতে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

মাদকাসক্ত, মানসিক রোগী—সবাই একই ব্যবস্থায়?

বীকন পয়েন্টের কয়েকজন কর্মচারীর ভাষ্য, সেখানে মাদকাসক্তির পাশাপাশি মানসিক রোগী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, স্মার্টফোন ও মোবাইল গেমে আসক্ত ব্যক্তিদেরও চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে এসব রোগীর জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনা নেই। একই ভবনে তাদের রাখা হয়।

এক কর্মচারীর ভাষায়, ‘ড্রাগ কিংবা মানসিক—সবাইকে একখানেই থাকতে হবে। এটাই নিয়ম।

তিনি আরও দাবি করেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর এক নাতিও সেখানে রাখা হয়েছিল। তখন পুলিশ, ডিবি ও প্রশাসনের লোকজন অস্ত্রসহ প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে-বাইরে নিরাপত্তায় ছিলেন বলে ওই কর্মচারী দাবি করেন।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

মাদকাসক্ত সাজিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিকে আটকে রাখা, পর্যাপ্ত পরীক্ষা ছাড়া ভর্তি এবং অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বীকন পয়েন্টের ম্যানেজার (অপারেশন) আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, মাদকাসক্তদের পাশাপাশি তাদের প্রতিষ্ঠানে মানসিক রোগীদেরও চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তার দাবি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে মানসিক হাসপাতালের লাইসেন্স নেওয়া হয়েছে। ভর্তি হওয়া প্রত্যেক ব্যক্তিকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখার পর ব্যবস্থাপত্র দেন। ফলে মাদকাসক্ত কিংবা মানসিক রোগী সাজিয়ে কাউকে আটকে রাখার সুযোগ নেই।

প্রশ্ন রয়ে যায়

তবে অনুসন্ধানে উঠে আসা ঘটনাগুলো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে—চিকিৎসার নামে কাউকে দিনের পর দিন তালাবদ্ধ রাখা হলে তার আইনি ও মানবিক সুরক্ষা কোথায়? ভর্তি করার আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা কতটা নিয়ম মেনে করা হচ্ছে? ‘ক্যাচিং পার্টি’র মাধ্যমে কাউকে ধরে আনার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করছে কে? আর সরকারি তদারকি থাকলেও প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্দরমহরে প্রকৃতপক্ষে কী ঘটছে?

মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিঃসন্দেহে জরুরি। কিন্তু সেই চিকিৎসার আড়ালে যদি নির্যাতন, অবৈধ বন্দিত্ব, অর্থ আদায় কিংবা নিরপরাধ মানুষকে আটকে রাখার অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তাহলে তা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম নয়—এটি মানবাধিকার ও রাষ্ট্রীয় তদারকির জন্যও বড় প্রশ্ন।

যুগান্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসা এসব তথ্য-অভিযোগ তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত, নিয়মিত নজরদারি এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি আরও জোরালো করেছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।