রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক উচ্চমান সহকারী সেলিনা আক্তারের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩০ লাখ ৭৩ হাজার ৬৯৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী ও রাজউকের অবসরপ্রাপ্ত উচ্চমান সহকারী আব্দুল মালেক মিয়াকেও আসামি করা হয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, সেলিনা আক্তারের নামে বৈধ আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব সম্পদ অর্জনে তাঁর স্বামী আব্দুল মালেক মিয়া সহায়তা করেছেন বলেও অনুসন্ধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, সেলিনা আক্তার ২০১৮ সালের ১০ ডিসেম্বর কমিশনে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। ওই বিবরণী যাচাই ও পরবর্তী অনুসন্ধানে তাঁর নামে ১ কোটি ৩০ লাখ ৭৩ হাজার ৬৯৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, সেলিনা আক্তারের বৈধ উৎসের সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৮ লাখ ২৪ হাজার ৮০৫ টাকা। বিপরীতে তাঁর নামে পাওয়া সম্পদের মূল্য ৪ কোটি ৩৮ লাখ ৯৮ হাজার ৪৯৮ টাকা। দুই হিসাবের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩০ লাখ ৭৩ হাজার ৬৯৩ টাকা, যা তাঁর জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে কমিশন।
দুদকের সহকারী পরিচালক তাপস ভট্টাচার্য্য এ অনুসন্ধান পরিচালনা করেন। অনুসন্ধানের ভিত্তিতে সেলিনা আক্তার ও আব্দুল মালেক মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করেছে কমিশন।
তবে মামলার অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
