বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভারতে আন্দোলন ছড়িয়েছে কয়েক রাজ্যে, চাপ বাড়াচ্ছে ককরোচ

এএফপি
জুলাই ২২, ২০২৬ ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিহারে পুলিশের অবস্থানের বিপরীতে জাতীয় পতাকা হাতে তরুণরা। বুধবার পাটনায়। ছবি: এএফপি

ভারতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করা তরুণরা দিল্লির যন্তর-মন্তর ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। সংসদের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের সমর্থন পাওয়ার পর এ আন্দোলনের গতিও বেড়েছে। বুধবার দিল্লির বাইরের কয়েকটি রাজ্যে তরুণদের উপস্থিতি ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে হওয়া এ আন্দোলন নরেন্দ্র মোদি সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কংগ্রেসও শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে সরকারকে সোমবারের ঘটনার জন্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি তুলেছে।

আগের দিন কয়েক ঘণ্টার জন্য আটক হওয়া কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বুধবার কালো পোশাক পরে সংসদে যান। সেখানে তিনি সরকারের কাছে জবাবদিহি দাবি করেন। পরে সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্রদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন আছে। তাদের সুরক্ষা ও ভবিষ্যতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।

কয়েকদিনের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার রাতে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি বলেন, সরকার সংস্কারের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবে।

সমাবেশের সময় পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়ান এক শিক্ষার্থী। গুজরাটের আহমেদাবাদে। ছবি: এএফপি

তবে শিক্ষামন্ত্রীর এই আশ্বাসের পরও বুধবার যন্তর-মন্তরে কয়েক হাজার তরুণের জমায়েত দেখা গেছে। উত্তরাঞ্চলের হরিয়ানা রাজ্য থেকে ভাই ও বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেওয়া ১৯ বছর বয়সী পূজা কুশি বলেন, ‘সরকার আমাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিচ্ছে।’

দিল্লির পাশাপাশি এদিন মহারাষ্ট্রের মুম্বাই, কর্ণাটকের বেঙ্গালুরু ও বিহারের পাটনার মতো শহরগুলোতে বিক্ষোভ হয়েছে। প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাটনায় তরুণদের সমাবেশে পুলিশ টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যবহার করেছে। গুজরাটের আহমেদাবাদে সিজেপির কয়েকজন সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ।

যন্তর-মন্তরে কাব্য (২০) নামের এক বিক্ষোভকারী বলেন, প্রথমবারের মতো দেশের তরুণরা নিজেদের আওয়াজ তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছে। পুলিশের মারধর ও বলপ্রয়োগের কারণে কেউ কেউ ভয় পাচ্ছে। কিন্তু আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।নিরাপত্তার স্বার্থে কাব্য তাঁর পুরো নাম বলতে চাননি।

এএফপিকে তিনি বলেন, ‘আমরা থেমে গেলে আবার আন্দোলন শুরু করা কঠিন হবে। ভারতে ভবিষ্যৎ কল্পনা করাও কঠিন। আপনি আওয়াজ তুললেই চুপ করে দেওয়া হবে। এখানে পুরো ব্যবস্থাটাই বদলাতে হবে। রাজনৈতিক নেতাদেরকে তাদের কাজের জন্য জবাবদিহি করতে হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।