বৃহস্পতিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় নিয়ে পদোন্নতির অপেক্ষায় এলজিইডির সাবেক মহাপরিচালক ওমর ফারুক

স্টাফ রিপোর্টার
আগস্ট ২০, ২০২৬ ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

এলজিইডির অডিট অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মোহাম্মদ ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে ৪২ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের পাশাপাশি তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ ও আর্থিক লেনদেনও খতিয়ে দেখছে সংস্থাটি।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ওমর ফারুকের আর্থিক কর্মকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহে দেশের ৬১টি ব্যাংক ও তিন জেলার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক খায়রুল হক এসব তথ্য চেয়ে চিঠি দেন।

দুদকের চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, চাকরিতে থাকাকালে ওমর ফারুক প্রতি টিম নিয়োগে ২০ লাখ টাকা করে ঘুষ গ্রহণের বিনিময়ে এলজিইডির বিভিন্ন ইউনিটে অডিট টিম নিয়োগ দিতেন। একই সঙ্গে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এলজিইডিসহ বিভিন্ন দপ্তরের অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অডিট আপত্তি নিষ্পত্তিতেও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ

শুধু অডিট টিম নিয়োগ নয়, সাবেক এমপিদের কথিত লুটপাটের প্রকল্পের অডিট আপত্তি, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল আটকে রেখে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও জমা পড়েছে দুদকে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে ওমর ফারুকের পাশাপাশি তার স্ত্রী ও সন্তানদের আর্থিক কর্মকাণ্ডের তথ্যও সংগ্রহ করছে দুদক।

অভিযোগের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন জেলার সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তথ্য চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার নামে থাকা সম্পদ, ব্যাংক হিসাব ও আর্থিক লেনদেনের তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

দুদকের অনুসন্ধানের মধ্যেই পদোন্নতির আলোচনা

সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে—দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান চলমান থাকা অবস্থায়ও ওমর ফারুকের পদোন্নতির সম্ভাবনা নিয়ে ওঠা প্রশ্ন। অভিযোগ রয়েছে, কোটি কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে পদোন্নতি নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা শেষ পর্যন্ত কতটা প্রমাণিত হয়, তা নির্ভর করবে দুদকের চলমান অনুসন্ধান ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার ওপর। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে ওমর ফারুককে দোষী হিসেবে গণ্য করা যায় না।

এদিকে, একজন সাবেক মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে এত গুরুতর অভিযোগের অনুসন্ধান চলার মধ্যেই পদোন্নতির আলোচনা সামনে আসায় এলজিইডির প্রশাসনিক অঙ্গনেও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, দুদকের অনুসন্ধানে অভিযোগগুলোর কতটা সত্যতা বেরিয়ে আসে এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নেয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
আইন-আদালত সর্বশেষ