বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মতিউরের রেকর্ড ছাড়ালেন সহিদুল! ৫৩ ফ্ল্যাটসহ ৪০০ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নভেম্বর ৪, ২০২৬ ১১:০৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাজধানী ও আশপাশে বহুতল ভবন, ৩২০ কাঠা জমি, শতকোটি টাকার স্থাবর সম্পদ। স্ত্রীর নামে শেয়ারবাজারে ৮০ কোটি টাকার বিনিয়োগ, ছেলের ব্যবসায়ও পিতার অর্থ জোগানের অভিযোগ। ভাই শামীম এর টেক্সটাইল মিল সহ একাধিক ফ্যাক্টরি। আরেক ভাই সেলিমের সিএন্ডএফ ব্যবসায় সহিদুল এর হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ। দুদকের অনুসন্ধানের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন। স্ত্রীসহ মালয়েশিয়ায় পাড়ি দেওয়ার দাবি। মো. মতিউর রহমান, মো. সহিদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ফাহমিদা রাব্বি (বাম থেকে ডানে)। ফাইল ছবি

কোরবানির পশুর হাটে ১৫ লাখ টাকার ছাগল কেনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনায় এসেছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান। তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় দেড় শ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কিন্তু এবার সম্পদের হিসাব নিয়ে আরও বড় অঙ্কের অভিযোগ সামনে এসেছে এনবিআরের সাবেক সদস্য ড. মো. সহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, রাজধানী ও আশপাশে অন্তত ৫৩টি ফ্ল্যাট, একাধিক বহুতল ভবন, ২০টির বেশি প্লট, বিপুল পরিমাণ জমি এবং শেয়ারবাজারে বিনিয়োগসহ তাঁর ও পরিবারের দৃশ্যমান সম্পদের পরিমাণ চার শ কোটি টাকার বেশি।

সরকারি চাকরির আয়-উপার্জনের সঙ্গে এসব সম্পদের সামঞ্জস্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। অনুসন্ধানে পাওয়া বিভিন্ন নথিপত্র, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল ও খতিয়ান পর্যালোচনায় তাঁর এবং পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। শুধু ফ্ল্যাটগুলোর বাজারমূল্যই ১৬২ কোটি টাকার বেশি বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে দৃশ্যমান সম্পদের মূল্য ৪০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে বলে অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এমনকি আরও শতকোটি টাকার বেনামি সম্পদ রয়েছে কি না, তা নিয়েও অনুসন্ধানের কথা জানা গেছে। প্রশ্ন উঠেছে, এনবিআরের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে কীভাবে একজন সরকারি কর্মকর্তা ও তাঁর পরিবার এত বিপুল সম্পদের মালিক হলেন? এসব সম্পদের উৎস কী? আর মতিউর রহমানের ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচনার পরও সহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি কতটুকু?

মতিউরের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি সম্পদের অভিযোগ

এনবিআরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধানে প্রায় দেড় শ কোটি টাকার সম্পদের প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। ছাগলকাণ্ডের পর তাঁর সম্পদের হিসাব নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়।

তবে এনবিআরের একই ব্যাচের কর্মকর্তা ড. মো. সহিদুল ইসলামের সম্পদের নথিপত্র পর্যালোচনায় আরও বড় অঙ্কের তথ্য উঠে এসেছে বলে দাবি অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট সূত্রের। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, সহিদুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের নামে দৃশ্যমান এবং দলিলভুক্ত সম্পদের মূল্যই চার শ কোটি টাকার বেশি। এ হিসাব মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে আলোচিত দেড় শ কোটি টাকার সম্পদের প্রায় আড়াই গুণ।

তবে এসব সম্পদের প্রকৃত মালিকানা, অর্থের উৎস এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ কি না, তা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট নথি ও আর্থিক লেনদেনের স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন।

বসুন্ধরায় শতকোটির ভবন, ৫৩টি ফ্ল্যাটের তথ্য

সহিদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী ফাহমিদা রাব্বির সম্পদের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু রাজধানীর অভিজাত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ‘জি’ ব্লকে অবস্থিত ১০ তলা একটি ভবন। ভবনটির নাম ‘শেল কবিতা’। সেখানে আড়াই হাজার বর্গফুট আয়তনের মোট ২০টি ফ্ল্যাট রয়েছে। অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব ফ্ল্যাটের মালিকানা ওই দম্পতির নামে। স্থানীয় আবাসন খাতসংশ্লিষ্টদের ধারণা, ভবনের ফ্ল্যাট ও জমির বাজারমূল্য ১০০ কোটি টাকার বেশি।

বসুন্ধরার বাইরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সহিদুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী ও আত্মীয়স্বজনের নামে আরও ৩৩টি ফ্ল্যাটের তথ্য পাওয়া গেছে বলে অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এর মধ্যে বাংলামোটরের স্বজন টাওয়ারে দুটি ফ্ল্যাট, যার আনুমানিক মূল্য চার কোটি টাকা। মিরপুরের রূপনগর আরামবাগ এলাকায় স্ত্রীর নামে ছয়তলা ভবনে রয়েছে ১০টি ফ্ল্যাট, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা। ইস্কাটনের গার্ডেনিয়া টাওয়ারে একটি ফ্ল্যাটের মূল্য চার কোটি টাকা বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া মিরপুরের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের দ্বিতীয় প্রকল্পে ২০টি ফ্ল্যাটবিশিষ্ট একটি ছয়তলা ভবনের তথ্য পাওয়া গেছে, যার আনুমানিক মূল্য ২০ কোটি টাকা। পাশাপাশি ইস্টার্ন হাউজিং ও গাবতলী বেড়িবাঁধ এলাকায় কারখানা ও গুদাম হিসেবে ভাড়া দেওয়া প্রায় ৫০ কোটি টাকা মূল্যের জমিও তাঁদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে অভিযোগ।

সাভারে বিলাসবহুল বাংলো, ৩২০ কাঠা জমি

রাজধানীর বাইরে সাভারের মধুমতি মডেল টাউনেও বিপুল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানে ৩৫ কাঠা জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে লাল ইটের বিলাসবহুল বাংলোবাড়ি ‘সেঁজুতি’। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলোবাড়িটির শুধু জমির মূল্যই অন্তত ১০ কোটি টাকা।

এ ছাড়া মধুমতি আবাসিক প্রকল্পে সহিদুল ইসলামের নামে আরও পাঁচটি বড় দাগে জমি রয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। এসব জমির মোট পরিমাণ ৩২০ কাঠা। প্রকল্প এলাকায় গবাদিপশুর খামার, ওয়ার্কশপ ও গ্যারেজ হিসেবে ভাড়া দেওয়া এসব প্লটের বর্তমান বাজারমূল্য অন্তত ৯০ কোটি টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

এর বাইরে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এবং গাজীপুরের কালীগঞ্জে এই দম্পতির নামে আরও সাতটি প্লটের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব জমির মূল্যও কয়েক কোটি টাকা বলে জানা গেছে।

পুঁজিবাজারে ৮০ কোটি, ছেলের ব্যবসায়ও অর্থ জোগানের অভিযোগ

সহিদুল ইসলামের স্ত্রী ফাহমিদা রাব্বির নামে পুঁজিবাজারে একটি বিও অ্যাকাউন্টে প্রায় ৮০ কোটি টাকার শেয়ার পোর্টফোলিও রয়েছে বলে অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পাশাপাশি সোনালী ব্যাংকের একটি হিসাবে ৫৫ লাখ টাকার নগদ স্থিতির তথ্য পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে ছেলে হাসিন ফারহানের নামে বসুন্ধরার একটি বাণিজ্যিক টাওয়ারে একাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার তথ্য সামনে এসেছে। ফারহানের মালিকানাধীন ‘ভেলোসিটি গ্রুপ’-এর অধীন স্থাপত্য ও বিপণন প্রতিষ্ঠানে পিতা সহিদুল ইসলাম অন্তত পাঁচ কোটি টাকা প্রাথমিক পুঁজি হিসেবে জোগান দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি চাকরির বেতন-ভাতা থেকে অর্জিত অর্থ দিয়ে এসব বিনিয়োগ ও ব্যবসার মূলধন সরবরাহ করা হয়েছে, নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো আয়ের উৎস? এসব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন ও বিনিয়োগের উৎস যাচাই করা হলে সম্পদের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।

প্রভাবশালী পদে দায়িত্ব, আয়ের সঙ্গে সম্পদের আকাশ-পাতাল ব্যবধান

কর্মজীবনে ড. মো. সহিদুল ইসলাম এনবিআরের গুরুত্বপূর্ণ ও নীতিনির্ধারণী বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি এনবিআরের শুল্ক ও আবগারি বিভাগের সদস্য, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) মহাপরিচালক (ডিজি), কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিল ট্রাইব্যুনালের সদস্য এবং কাস্টমস কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

অভিযোগ রয়েছে, ২০১০ সালের পর এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন বড় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে শুল্ক রেয়াত সুবিধা দেওয়া এবং প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদ গড়ে তোলেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত, নথিপত্র, আর্থিক লেনদেন ও সুবিধাভোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, একজন গ্রেড-১ সরকারি কর্মকর্তার ৩০ থেকে ৩২ বছরের চাকরিজীবনে বেতন-ভাতা বাবদ মোট বৈধ আয় বড়জোর দেড় থেকে দুই কোটি টাকা হতে পারে। পেনশন ও সঞ্চয়পত্রের অর্থ যোগ করলেও তা তিন কোটি টাকা ছাড়ানোর কথা নয় বলে দাবি করা হয়েছে।

অন্যদিকে সহিদুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের নামে থাকা সম্পদের মূল্য চার শ কোটি টাকা ছাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। অর্থাৎ তাঁর সম্ভাব্য বৈধ চাকরিজীবনের আয়ের সঙ্গে দৃশ্যমান সম্পদের ব্যবধান অত্যন্ত বড়। এই বিপুল সম্পদের উৎস নির্ধারণে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক অনুসন্ধান এখন সময়ের দাবি।

দুদকের অনুসন্ধান কোথায়, আত্মগোপনের অভিযোগ

মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের পদক্ষেপের পর সহিদুল ইসলামের সম্পদের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগসংক্রান্ত কিছু নথি কমিশনের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান দল গঠনের প্রস্তুতি চলছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

তবে এখন পর্যন্ত অনুসন্ধান দল গঠন, সম্পদের হিসাব যাচাই, ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা কিংবা সম্পদ জব্দের বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি কতটুকু—তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং দুদকের সম্ভাব্য তৎপরতা আঁচ করতে পেরে সহিদুল ইসলাম স্ত্রীসহ গোপনে মালয়েশিয়ায় চলে গেছেন বলে একটি দায়িত্বশীল সূত্র দাবি করেছে। তাঁর অনুপস্থিতিতে দেশে থাকা জমি ও বহুতল ভবনগুলো নিকটাত্মীয়দের মাধ্যমে দেখভাল করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।

তবে তাঁর দেশত্যাগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। বক্তব্য জানার জন্য তাঁর ব্যবহৃত ব্যক্তিগত নম্বরগুলোতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

টিআইবির বক্তব্য: সম্পদ ক্রোক করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মতিউর রহমান কিংবা সহিদুল ইসলাম—কারও পক্ষেই সরকারি চাকরির বৈধ আয়ে শত শত কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, রাজস্ব প্রশাসনের মতো সংবেদনশীল জায়গায় শীর্ষ কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে কীভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সম্পদের পাহাড় গড়লেন, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। শুধু এনবিআর থেকে পদ সরানো যথেষ্ট নয়। অবিলম্বে এসব সম্পদ ক্রোক করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

এখন বড় প্রশ্ন, তদন্তের অগ্রগতি কত দূর?

এনবিআরের একজন সাবেক প্রভাবশালী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার শ কোটি টাকার বেশি সম্পদ অর্জনের অভিযোগ কেবল ব্যক্তিগত সম্পদের হিসাবের বিষয় নয়, এটি রাজস্ব প্রশাসনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে।

৫৩টি ফ্ল্যাট, বহুতল ভবন, শত শত কাঠা জমি, পুঁজিবাজারে বিপুল বিনিয়োগ এবং পরিবারের সদস্যদের নামে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান—এসব সম্পদের উৎস কী, কোন অর্থে কেনা হয়েছে এবং সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে এসব সম্পদের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।

মতিউর রহমানের সম্পদ নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনার পরও একই রাজস্ব প্রশাসনের আরেক সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা আরও বড় অঙ্কের অভিযোগের অনুসন্ধান কত দ্রুত ও কার্যকরভাবে এগোয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
বিশেষ খবর সর্বশেষ