আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহাকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালী ও বরগুনাজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাব-৮, সিপিসি-১। ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, ফেরিঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে বাড়ানো হয়েছে টহল, চেকপোস্ট ও গোয়েন্দা নজরদারি। একই সঙ্গে পশুর হাটগুলোতেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
রবিবার (২৪ মে) র্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোরবানির পশু কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে যেন কোনো ধরনের অপরাধ, প্রতারণা, চাঁদাবাজি বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য মাঠে সক্রিয় রয়েছে র্যাবের বিশেষ আভিযানিক দল। পশুর হাটগুলোতে পোশাকধারী সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়েছে।
বিশেষ করে জাল টাকার বিস্তার ঠেকাতে পশুর হাটে বসানো হয়েছে অত্যাধুনিক জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন। এছাড়া কোরবানির পশু পরিবহনের সময় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, হয়রানি বা অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে র্যাব।
ঈদকে ঘিরে মানুষের বাড়ি ফেরা নির্বিঘ্ন করতে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ চেকপোস্ট। ছিনতাইকারী চক্র, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির অপতৎপরতা রোধে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
এদিকে ঈদের কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মার্কেট, বিপণিবিতান ও প্রধান ঈদগাহগুলোতেও বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা তৎপরতা। সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
ঈদ আনন্দঘন ও নিরাপদ করতে র্যাবের এই বাড়তি তৎপরতায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ ও পশু ব্যবসায়ীরা।
