কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডের ইউনিট সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মামুন নামে জামায়াতে ইসলামীর একনিষ্ঠ কর্মীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও হামলায় আহত মামুনের স্বজনদের কাছ থেকে জানা যায়, রাত ৮টার দিকে কাজ শেষ করে সাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন মামুন। পথে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত রাতের আঁধারে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। অভিযোগ রয়েছে—স্থানীয় লেংড়া ডাক্তার নামে পরিচিত ব্যক্তির ছেলে সবুজ, কাবিল দোকানদারের ছেলে রবিনসহ রাব্বি, মনোয়ার, চঞ্চল, রাশিদুল,আজিম,আব্দুল, ভোলা, হাসমত এবং আরও ১৫-২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল এই হামলায় অংশ নেয়।
হামলাকারীরা হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে মামুনকে বেধড়ক পেটাতে থাকে। একপর্যায়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র (সেন) দিয়ে তাঁর মাথায় কোপ দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর মাথায় গুরুতর জখম হওয়ায় ১৬টি সেলাই দিতে হয়েছে। বর্তমানে তিনি সদর হাসপাতালের বারান্দায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
