বৃহস্পতিবার, ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুন্দরবনে পর্যটকবাহী বোটসহ সব নৌযান চলাচল বন্ধ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
জানুয়ারি ৫, ২০২৬ ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সুন্দরবনে পর্যটকবাহী প্রায় ৪০০ জালিবোটসহ লঞ্চ ও ট্রলার চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে মালিকপক্ষ। এর ফলে ঘুরতে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকরা ফিরে যাচ্ছেন।

জানা গেছে , রোববার নৌপরিবহন অধিদপ্তর (খুলনা) মোংলার ফেরিঘাট এলাকায় থাকা অন্তত ৩০টি জালিবোটের উপরের অংশের অবকাঠামো কেটে ও ভেঙে সেসব মালামাল নিয়ে যায়। তাই ক্ষতিগ্রস্ত বোট মালিকেরা নৌপরিবহন অধিদপ্তরের এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।

এদিকে সোমবার সকাল থেকেই সুন্দরবনে পর্যটকদের প্রবেশ ও ভ্রমণ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় সোমবার সুন্দরবনের উদ্দেশে দূর থেকে মোংলার পিকনিক কর্ণারে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকরা জালিবোট ধর্মঘটের কারণে নিরূপায় হয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

যশোর থেকে আসা সাজেদ রহমান সমকালকে বলেন, ‌পরিবার ও প্রতিবেশী নিয়ে সুন্দরবন ভ্রমণে এসে মোংলার পিকনিক কর্ণারে আটকে গেছি। গাড়ি থেকে নামার পর শুনছি সুন্দরবনে যাতায়াতারে একমাত্র মাধ্যম জালিবোটসহ অন্যান্য নৌযানের ধর্মঘট চলছে। তাই হতাশা নিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে যাচ্ছি।’

দিনাজপুর থেকে পরিবারসহ আসা তামান্না বেগম বলেন, ‌‌‘এখানে এসে দেখি নৌযান চলাচল বন্ধ, তাই আমরা আর সুন্দরবনে যেতে পারছি না। ফিরে যেতে হবে এখন।’

খুলনার চুকনগর থেকে আসা রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা এক বাসে ৫৪ জন এসেছি। এসে দেখি সুন্দরবনে যাওয়ার সকল নৌযান চলাচল বন্ধ। আসাটাই বৃথা হলো।’

মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংঘের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের (খুলনা) হয়রানির প্রতিবাদে সকল নৌযান মালিকেরা নিজ নিজ থেকে জালিবোট, ট্রলার ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখে ধর্মঘট শুরু করেছেন। ধর্মঘটের আওতায় রয়েছে প্রায় ৪০০ লঞ্চ, জালিবোট ও ট্রলার। তিনি আরও বলেন, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের এই হয়রানি বন্ধ না হলে সুন্দরবনগামী এ সকল নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।

সুন্দরবনের করমজল পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, সোমবার ভোর থেকেই এখানে কোনো নৌযান ও পর্যটক আসতে পারছে না। শুনেছি নৌপরিবহন অধিদপ্তর রোববার পর্যটনবাহী নৌযানগুলোতে অভিযান চালায়। এই কারণে নৌযান মালিকেরা তাদের নৌযান চলাচল বন্ধ রেখেছেন।

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের খুলনার পরিদর্শক মো. রাশেদুল আলম বলেন, জালিবোটগুলোর উপরের অংশের অবকাঠামো অপসারণ করা হয়েছে। যাতে বোটের স্থিতিশীলতা বজায় থাকে, দুর্ঘটনাকবলিত না হয়। মূলত আমাদের উদ্দেশ্য হলো- পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।