শনিবার, ৯ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু

অনলাইন ডেস্ক
মে ৯, ২০২৬ ১:০৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছবি: আনন্দবাজার পত্রিকা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রথম সরকার গঠন করল বিজেপি। সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

শনিবার স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এ শপথ অনুষ্ঠানে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উপস্থিত রয়েছেন।

কড়া নিরাপত্তায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মঞ্চে আছেন-বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি, চিরাগ পাসোয়ান, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাডনবীশ, অগ্নিমিত্রা পাল, মিঠুন চক্রবর্তীসহ কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতারা।

শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় পাঁচ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে দু’জন এবং দক্ষিণবঙ্গ থেকে তিন জনকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে যেমন আদিবাসী মুখ রয়েছেন, তেমন মতুয়া মুখও আছেন। শুভেন্দুর পাঁচ মন্ত্রী হলেন- দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু। শনিবার শুভেন্দুর পর শপথ নেন দিলীপ ঘোষ। তার পর অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং শেষে নিশীথ প্রামাণিক।
শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভা নির্বাচনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে জিতেছেন। নিজের নন্দীগ্রামের আসন ধরে রাখার পাশাপাশি ভবানীপুরে হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন শুভেন্দু। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। এরপর থেকেই তিনি রাজ্যে দলের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রচারক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

দলের এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, তৃণমূলের বিরুদ্ধে শুভেন্দুর লাগাতার লড়াই, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচনি জয়- এসব বিষয়গুলো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর দাবিকে আরও জোরালো করেছে।

দলীয় সূত্রের খবর, ভবানীপুর থেকে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়কে বাংলার রাজনীতির একটি প্রতীকী ও কৌশলগত মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী পদে বিজেপির অভ্যন্তরে আরও কিছু নাম নিয়ে আলোচনা ছিল। তাদের মধ্যে আছেন- রাজ্য শাখার সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও রাজ্যসভার সাবেক এমপি স্বপন দাশগুপ্ত।

দলের একটি অংশ স্বপন দাশগুপ্তকে একজন বুদ্ধিজীবী মুখ হিসেবে দেখে থাকেন। মনে করা হয়, তিনি শাসন ও রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সক্ষম। অন্যদিকে, শমীক ভট্টাচার্যকে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে সফলভাবে সংগঠন পরিচালনার কৃতিত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।