পারস্পরিক আস্থা ও দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব উদ্যাপন এবং ভবিষ্যতে একসঙ্গে আরও এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে ‘সাফল্যের পথে একসাথে’ প্রতিপাদ্যে ‘পার্টনারস সামিট’ আয়োজন করেছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড।
ঢাকার র্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে আয়োজিত এ সামিটে এপেক্সের বিভিন্ন পার্টনার অংশ নেন। অনুষ্ঠানে এপেক্সের ব্যবসায়িক সাফল্যে পার্টনারদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সামিটে পার্টনারদের ছয়টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করা হয়। এর মধ্যে ছিল ‘লংস্ট্যান্ডিং পার্টনারশিপ অ্যাওয়ার্ড’, ‘ডেলিভারি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ এবং পার্টনারদের জন্য এপেক্সের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী অ্যাওয়ার্ড’।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম মইন উদ্দীন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফিরোজ মোহাম্মদ। তাঁরা বলেন, পার্টনারদের সঙ্গে পারস্পরিক সুসম্পর্ক ও স্বচ্ছতা এপেক্সের সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি।
এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের সিইও ফিরোজ মোহাম্মদ বলেন, ‘এপেক্সের প্রবৃদ্ধিতে আমাদের পার্টনাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। এ সামিট তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি সামনে কীভাবে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়া যায়, তা নিয়ে ভাবার একটি উপলক্ষ।
তিনি আরও বলেন, পণ্যের গুণগত মান ও নকশা আরও উন্নত করা, কাজের লক্ষ্যগুলো স্পষ্ট করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার প্রক্রিয়াকে আরও সুশৃঙ্খল করার মাধ্যমে পার্টনারদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চায় এপেক্স।
এ লক্ষ্য সামনে রেখে অনুষ্ঠানে নতুন ‘পার্টনার পারফরম্যান্স টুল’-এর কার্যক্রম শুরু করা হয়। পার্টনারদের সঙ্গে কাজের সমন্বয় বাড়াতেই এই টুল চালু করা হয়েছে বলে জানান আয়োজকেরা।
অনুষ্ঠানে কয়েকজন পার্টনার তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। ‘সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী অ্যাওয়ার্ড’, ‘বেস্ট সেলিং অ্যাওয়ার্ড’ ও ‘কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড’ পাওয়া এপেক্স পার্টনার তামিম চৌধুরী বলেন, ‘এমন স্বীকৃতি পাওয়া সত্যিই অনেক ভালো লাগার। এপেক্সের সঙ্গে আমাদের এই পথচলায় যে আস্থা আর পরিশ্রম ছিল, এই পুরস্কার যেন তারই স্বীকৃতি। এটা আমাদের সামনে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা দেয়।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আস্থার ভিত্তিতেই গড়ে ওঠে। কোনো সুযোগ শুরুতে কতটা বড়, তার চেয়ে সেই সুযোগকে কতটা ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। একজনের একার সাফল্যের চেয়ে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়াই বড় সাফল্য।
ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজের পরিকল্পনা নিয়ে পার্টনারদের আলোচনার মধ্য দিয়ে সামিট শেষ হয়। এ সময় পণ্যের গুণগত মান ও নকশার সক্ষমতা বাড়ানো এবং পার্টনারদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
