রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এলজিইডিতে পদোন্নতি-বদলি-নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে শফিকুর রহমান, দুদকে অভিযোগ নিয়ে অপেক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক
সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ৭:১০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)—দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান। সড়ক, সেতু, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক সিদ্ধান্তও কর্মকর্তাদের কর্মজীবনে বড় প্রভাব ফেলে। আর সেই প্রশাসনিক ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্তর—পদোন্নতি, বদলি, পদায়ন ও নিয়োগ—নিয়ে এবার একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, কোথাও কোথাও মেধা, জ্যেষ্ঠতা ও প্রচলিত বিধিমালার পরিবর্তে অর্থ ও প্রভাবের মাধ্যমে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছে। এসব অভিযোগের আলোচনায় বারবার উঠে এসেছে এলজিইডির প্রশাসন শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী শফিকুর রহমানের নাম।

অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে একটি কথিত সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি, বদলি, পদায়ন ও নিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখার চেষ্টা করেছে। তবে এসব অভিযোগের কোনোটি প্রমাণিত বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই; অভিযোগগুলোর স্বাধীন ও নথিভিত্তিক যাচাই প্রয়োজন।

শফিকুর রহমানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পদোন্নতিতে ‘নজরানা’র অভিযোগ, অঙ্ক লাখে লাখে

এলজিইডির সাম্প্রতিক পদোন্নতি প্রক্রিয়াকে ঘিরে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি অর্থ লেনদেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, প্রায় ১৯৭ জন সহকারী প্রকৌশলীকে নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার সময় জনপ্রতি ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, অর্থ না দিলে সংশ্লিষ্ট ফাইলের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি করা হতো।

শুধু সহকারী প্রকৌশলী পর্যায়েই নয়, সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রকৌশলী থেকে সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রেও প্রায় ১৩৫ জন কর্মকর্তার কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সার্ভেয়ারদের পদোন্নতির ক্ষেত্রেও ৪ থেকে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অভিযোগের কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

এমনকি জ্যেষ্ঠতার ক্রম উপেক্ষা করে অপেক্ষাকৃত কনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের সুবিধাজনক অবস্থানে নেওয়ার জন্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ‘বিশেষ ব্যবস্থা’ করার অভিযোগও উঠেছে।

তবে এসব অর্থ লেনদেনের অভিযোগের পক্ষে প্রকাশ্য ও যাচাইযোগ্য নথি বা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা তথ্য এই প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

বদলি-পদায়নে কথিত ‘রেটকার্ড’—কারা নিয়ন্ত্রণ করত?

এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি ও পদায়ন নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, গুরুত্বপূর্ণ, সুবিধাজনক বা লাভজনক হিসেবে বিবেচিত কর্মস্থলে পদায়ন পেতে কোথাও কোথাও ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত দাবি করার অভিযোগ রয়েছে।

সূত্রগুলো কয়েকটি নির্দিষ্ট পদায়নের কথাও উল্লেখ করেছে।

তাদের দাবি, সাভারে একটি কাঙ্ক্ষিত পদে পোস্টিংয়ের জন্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা, জাজিরায় সহকারী প্রকৌশলীর একটি পদে বদলির জন্য ১০ লাখ টাকা এবং বরিশাল সদর থেকে বাবুগঞ্জ উপজেলায় একজন প্রকৌশলীর পদায়নের ক্ষেত্রে ৫ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

এসব অভিযোগ সত্য হলে প্রশ্ন ওঠে—বদলি ও পদায়নের মতো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত কি আদৌ নির্ধারিত নীতিমালা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে হয়েছে, নাকি এর বাইরে কোনো অনানুষ্ঠানিক প্রভাব কাজ করেছে?

তবে অভিযোগগুলোর স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

নিয়োগ বাণিজ্যেও কি ছিল ‘সমঝোতা’?

অভিযোগের পরিধি শুধু সাম্প্রতিক পদোন্নতি ও বদলি-পদায়নে সীমাবদ্ধ নয়। এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ করিমের দায়িত্বকালেও নিয়োগকে কেন্দ্র করে বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর।

তাদের ভাষ্য, একটি নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে প্রায় দেড় কোটি টাকার কথিত গোপন সমঝোতা হয়েছিল। ‘আব্দুল ওহাব’ নামে এক ব্যক্তিকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করে অর্থ লেনদেনের প্রক্রিয়া পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে।

সূত্রগুলোর দাবি অনুযায়ী, কথিত ওই সমঝোতায় ১ কোটি টাকা তৎকালীন প্রধান প্রকৌশলীর জন্য, ৩০ লাখ টাকা শফিকুর রহমানের জন্য এবং অবশিষ্ট অর্থ সংশ্লিষ্ট অন্যদের মধ্যে বণ্টনের পরিকল্পনা ছিল।

তবে এই অভিযোগের পক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, নির্ভরযোগ্য নথি বা অর্থ লেনদেনের স্বাধীন প্রমাণ প্রকাশ্যে না আসায় দাবিটির সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।

১২ প্রকৌশলীর পদোন্নতি ঘিরে নতুন প্রশ্ন

এলজিইডিতে বিধিমালা ও জ্যেষ্ঠতা উপেক্ষা করে ১২ জন প্রকৌশলীকে পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, শফিকুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সাইফুল কবির এবং কথিত ‘ওহাব সিন্ডিকেট’-এর প্রভাবে ওই পদোন্নতি প্রক্রিয়া এগিয়েছিল।

অভিযোগ রয়েছে, ওই পদোন্নতির ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অতিরিক্ত প্রায় ৫ কোটি টাকা বেতন-ভাতা ব্যয়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতির প্রত্যাশায় থাকা অন্য কর্মকর্তারাও বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এখানে প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে সরকারি নথিতেই—পদোন্নতির প্রস্তাব, জ্যেষ্ঠতার তালিকা, বিধিমালা, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট আদেশ পর্যালোচনা করলে।

৩০ কোটি টাকার সম্পদ—উৎস কী?

শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে।

একাধিক সূত্রের দাবি, প্রশাসনিক ক্ষমতা ও প্রভাব ব্যবহার করে তিনি প্রায় ৩০ কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন। এর একটি অংশ বিদেশে পাচারের অভিযোগও করা হয়েছে।

কথিত সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত ‘সোহেল’ নামে একজনের প্রায় ৫ কোটি টাকা এবং ‘মান্নান’ নামে আরেকজনের প্রায় ৫০ লাখ টাকা অর্জনের দাবিও করেছে সূত্রগুলো।

এ ছাড়া তাঁর জীবনযাপন নিয়েও নানা আলোচনা রয়েছে। সূত্রের দাবি, ঢাকার মিরপুর-১০ এলাকায় একটি সেলুন ও স্পায় একবারে প্রায় ১০ হাজার টাকা ব্যয়ের ঘটনাও তাঁর জীবনযাত্রার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

তবে সম্পদের পরিমাণ, অর্থের উৎস কিংবা বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগের পক্ষে প্রকাশ্য ও যাচাইযোগ্য নথি পাওয়া যায়নি। ফলে এসব বিষয় নিশ্চিত করতে সম্পদ বিবরণী, ব্যাংক হিসাব, আয়কর নথি, জমি-ফ্ল্যাটের দলিল এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন যাচাই প্রয়োজন।

পুরোনো অনুসন্ধানেও কি উঠেছিল নাম?

এলজিইডিকে ঘিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চলাকালে শফিকুর রহমানের নাম আলোচনায় আসে।

পরবর্তীতে ২০২৫ সালের এপ্রিলে দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক আজিজুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল এলজিইডির বিভিন্ন অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান, আলী আকতার হোসেনসহ একাধিক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সময় শফিকুল ইসলাম ও শফিকুর রহমানকে ঘিরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের অভিযোগ সামনে আসে বলেও দাবি সূত্রগুলোর।

২০১০ সালের নথি থেকে ৩৬ অফিস—তদন্তের পর কী হলো?

অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানে এলজিইডির পুরোনো নথিপত্রও তলব করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

তাদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সাল থেকে নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এ ছাড়া প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানকে কেন্দ্র করে মে মাসে অভিযান পরিচালনার বিষয়টিও আলোচনায় আসে। পরবর্তীতে এলজিইডির ৩৬টি অফিসে একযোগে তল্লাশি চালানোর কথাও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

তবে এতসব অভিযোগ, অনুসন্ধান ও তৎপরতার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী ধরনের চূড়ান্ত প্রশাসনিক বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এ বিষয়ে এখনো সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের পাহাড়, জবাবদিহির প্রশ্ন কোথায়?

পদোন্নতি, বদলি, পদায়ন কিংবা নিয়োগ—সরকারি চাকরিতে প্রতিটি সিদ্ধান্তের সঙ্গে কর্মকর্তাদের কর্মজীবন এবং রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দক্ষতা সরাসরি যুক্ত। ফলে এসব প্রক্রিয়ায় অর্থ লেনদেন বা প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সত্য হলে তা শুধু ব্যক্তিগত অনিয়মের প্রশ্ন নয়; প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিরও বিষয়।

এ কারণে অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি হতে পারে তিনটি পর্যায়ে—নথি যাচাই, আর্থিক লেনদেনের অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ।

বিশেষ করে পদোন্নতির জ্যেষ্ঠতা তালিকা, বোর্ডের কার্যবিবরণী, বদলি-পদায়নের আদেশ, নিয়োগসংক্রান্ত নথি, সম্পদ বিবরণী এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন যাচাই করা হলে অভিযোগগুলোর প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হতে পারে।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যেমন প্রয়োজন, তেমনি অভিযোগের প্রমাণ না মিললে অভিযুক্তদের দায়মুক্তিও নিশ্চিত করা জরুরি।

দুদকের নজরদারি ও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন

এখন মূল প্রশ্ন—এতগুলো অভিযোগ ও অনুসন্ধানের পর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কী পদক্ষেপ নিচ্ছে?

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দুদক আদৌ নতুন করে অনুসন্ধান করবে কি না, আগের অনুসন্ধানের ফলাফল কী এবং কোনো কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক কিংবা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা শফিকুর রহমানের বক্তব্য জানতে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে শফিকুর রহমান, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, এলজিইডি কর্তৃপক্ষ এবং দুদকের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী ফলোআপ প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

—ফলোআপ চলবে—

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
বিশেষ খবর সর্বশেষ