কাজী মো. বোরহান উদ্দিন (উপরে বাঁয়ে), আনিছুর রহমান (উপরে ডানে), মোহাম্মদ শাহীন উল ইসলাম চৌধুরী (নিচে বাঁয়ে) ও ফারজানা মুক্তা (নিচে ডানে)। ছবি: সংগৃহীত
দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তাধীন থাকায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। তদন্ত চলাকালে তারা যাতে দেশ ত্যাগ করতে না পারেন, সে লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তরে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের (সিটি করপোরেশন-১ শাখা) যুগ্মসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত গত ২৬ জুলাইয়ের চিঠিটি মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রকাশ্যে আসে।
চিঠিতে বলা হয়, দুর্নীতির অভিযোগে চলমান তদন্তের সময় অভিযুক্ত কর্মকর্তারা গোপনে দেশত্যাগের চেষ্টা করতে পারেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা যেন কোনোভাবেই দেশ ছাড়তে না পারেন, সে জন্য দেশের সব ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া চার কর্মকর্তা হলেন—
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (বর্তমানে বরিশাল সিটি করপোরেশনে বদলিকৃত) কাজী মো. বোরহান উদ্দিন।
ডিএসসিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক, সংযুক্ত) আনিছুর রহমান।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) এবং বর্তমানে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে বদলির আদেশাধীন মোহাম্মদ শাহীন উল ইসলাম চৌধুরী।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এবং বর্তমানে রংপুর সিটি করপোরেশনে বদলির আদেশাধীন ফারজানা মুক্তা।
সরকারি সূত্র জানায়, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা এড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট চার কর্মকর্তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
